পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীরা মন্তরগতিতে প্রচার প্রচারনায় চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ভোটারদের মাঝে নির্বাচন নিয়ে তেমন কোন উৎসব বা আগ্রহ নেই। বার বার নির্বাচনের তারিখ পিছানোর কারনে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। ৪টি ইউনিয়ন খুবই ঝুকিপূর্ণ।
উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৯ টিতে ৪০ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ, সংরক্ষিত সদস্য ও সাধারণ সদস্য পদে প্রার্থী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। নেই কোন উৎসব ও আমেজ। ভোটাররা হারিয়েছে আগ্রহ। বার বার নির্বাচনী তারিখ পরিবর্তন হওয়ায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। হরিঢালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম মোস্তফার মৃত্যুতে সেখানে নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রচারনায় রয়েছে কপিলমুনিতে ৬ জন, লতায় ৩ জন, দেলুটিতে চেয়ারম্যান ৩জন, সোলাদানায় ৪ জন, লস্করে ৪জন, গদাইপুরে, রাড়ুলিতে ৩ জন, চাঁদখালীতে ৬ জন ও গড়ইখালীতে ৬ জন। একই সাথে সংরক্ষিত ও সাধারণ সদস্য পদের প্রার্থীরাও ধীর গতিতে প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে বিএনপিসহ অন্যান্য দল নির্বাচন না করায় আওয়ামীলীগ থেকে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছেন। স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী অধিকাংশ প্রার্থীরা ভোট সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছে।
সোলাদানা ইউনিয়ের বর্তমান চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হক বলেন, তিনি তার কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণা কাজে বাঁধা দেয়া হচ্ছে। গত স্থগিত হওয়া নির্বাচনের পূর্বে পোস্টার লাগানোর সময় আমাকে ও আমার কয়েকজন কর্মীকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। আবারও তিনি সেই আশংকা করছেন। লস্কর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আঃ করিম গাইন বলেন, যার মাকে কুমিরে খেয়েছে তাকে ঢেকি দেখলে ভয় হয়। গত নির্বাচনে ভোট কেটে নেয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি এ কথা বলেন। সোলাদানা, গদাইপুর, রাড়ুলি, লস্কর ইউনিয়নের নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ঝুকিপূর্ণ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, ভোট নিরপেক্ষ করার জন্য সরকারের বেঁধে দেয়া বিধি নিষেধ অনুযায়ী সবকিছুই করা হবে।

 

আপনার মতামত দিন