গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আশিকুর রহমান রকি হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামি মানিক মিয়াকে লালমনিরহাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তারকৃত মানিক মিয়ার বাড়ি গাইবান্ধা জেলা শহরের পূর্বপাড়ায়
বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে  র‌্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (মিডিয়া) মাহমুদ বশির আহমেদের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেএ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রলীগ নেতা রকি হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত চার নম্বর আসামি মানিক মিয়াকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার নবীনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মানিক মিয়া রকি হত্যার ঘটনায় নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। বিকেলে তাকে গাইবান্ধা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, মানিক মিয়াকে লালমনিরহাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার সকালে আদালতে তোলা হবে। এসময় এই হত্যা মামলার পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান ওসি।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে আসামীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে, গাইবান্ধা-বালাসীঘাট সড়কের একাডেমি বাজারে,  ইউনিয়ন যুবলীগের ডাকা মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে রকি হত্যা মামলার আসামিদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে আল্টিমেটাম দেন জেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার মোঃ শাহিদ হাসান লোটন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১১ জুলাই রবিবার রাত ১০ টার দিকে গাইবান্ধা-বালাসী সড়কের পুর্বপাড়া হালিম বিড়ি ফ্যাক্টরির সামনে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে খুন হন রকি। এ ঘটনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে, হত্যকান্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ এনে শহরের পূর্বপাড়া এলাকার কাঞ্চনকে প্রধান আসামিসহ তিন জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৭/৮ জনকে আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত রকির বড় ভাই আতিকুর রহমান।
খুন হওয়া রকির বাড়ি ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের মধ্য কঞ্চিপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত সাইদার রহমান ছেলে। ২০১৫ সাল থেকে রকি ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
আপনার মতামত দিন